সম্প্রতি বাংলাদেশে নতুন কেনা শাওমি ব্র্যান্ডের একটি মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। চলতি মাসেই জামালপুরে এক ব্যক্তি মোবাইল বিস্ফোরণে আহত হন।
এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে ফেনীতে একই ঘটনায় এক কলেজছাত্রের মৃত্যু ঘটে। জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মোবাইল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটছে। এটা যেকোনো ক্রেতার কাছে শঙ্কার বিষয়। ব্রিটেনে স্যামসাংয়ের মতো শীর্ষমানের ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট বিস্ফোরিত হয় ১১ বছর বয়সী এক কিশোরের হাতে।
আরেকটি ঘটনায় মোবাইল চার্জ দেয়ার সময় এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। ব্ল্যাকবেরি এবং হুয়াওয়ের মতো মোবাইল ব্যবহার করতেন তিনি। এসব ঘটনা যেকোনো মোবাইলের ক্ষেত্রে ঘটে যেতে পারে। তবে নিরাপদে মোবাইল চার্জ দেয়ার কাজটি সারতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশারদরা। টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে মোবাইল ডিভাইস বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে করণীয় নিয়ে আজকের আয়োজন-
চার্জিং কেবল ও অ্যাডাপ্টার
ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোনের মতো মোবাইল ডিভাইস চার্জ দেয়ার জন্য তৃতীয়পক্ষের কেবল কিংবা অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করা এড়িয়ে চলতে হবে। অর্থাৎ নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকৃত চার্জিং কেবল ও অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করতে হবে।
ব্যাটারি
মোবাইল ডিভাইসের ব্যাটারি একটি নির্দিষ্ট সময় পর কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ব্যাটারি বদলানোর প্রয়োজন হলে তৃতীয়পক্ষের তৈরি ব্যাটারি লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে। অর্থাৎ যথাসম্ভব ডিভাইস নির্মাতা কোম্পানির সরবরাহকৃত অথবা অনুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে।
অতিরিক্ত চার্জ
যেকোনো মোবাইল ডিভাইস ঘন ঘন চার্জে দেয়া ঠিক নয়। কারণ বেশির ভাগ ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোন ডিভাইসে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। ঘন ঘন চার্জ দিলে ব্যাটারি কার্যক্ষমতা দ্রুত কমে যায় এবং উত্তপ্ত হয়ে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।
দাহ্য বস্তুর কাছে ফোন রাখা এড়িয়ে চলুন
ট্যাবলেট, স্মার্টফোন কিংবা অন্যান্য ডিভাইস অগ্নিদাহ্য বস্তু যেমন আসবাবপত্র, বিছানাপত্র ও পেপারের পাশে রাখা এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বস্তুর ওপর ফোন রাখলে বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বালিশের নিচে ফোন নয়
অনেকেই ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোনের মতো মোবাইল ডিভাইস চার্জে দিয়ে ঘুমায়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চার্জে লাগিয়ে ফোন বা অন্য কোনো মোবাইল ডিভাইস বালিশের নিচে রাখা এড়িয়ে চলুন। কোনো কারণে ডিভাইস বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে গেলে তা জীবননাশের কারণ হতে পারে।
সূর্যের আলোয় ফোন রাখবেন না
সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে, এমন স্থানে দীর্ঘ সময় ফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস রাখবেন না। এতে ব্যাটারি অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে এবং অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।
অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে ফোন সারাই করুন
কোনো কারণে মোবাইল কিংবা অন্য কোনো ব্যাটারিচালিত ডিভাইস সারাইয়ের প্রয়োজন পড়লে তা নির্মাতা কোম্পানি অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে করিয়ে নিন। যেখানে সেখানে ব্যাটারিচালিত ডিভাইস সারাইয়ের ফলে বিস্ফোরিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
ডিভাইসের ওপর আরেক ডিভাইস রেখে চার্জ নয়
অনেককেই একসঙ্গে একাধিক মোবাইল ডিভাইস চার্জে দিতে দেখা যায় এবং এক্ষেত্রে এক ডিভাইসের ওপর আরেক ডিভাইস রাখা হয়। ব্যাটারিচালিত ডিভাইস চার্জে দেয়ার সময় এ ধরনের অনুশীলন এড়িয়ে চলুন।
চার্জে দেয়ার সময় কাভার খুলে রাখুন
ট্যাবলেট বা স্মার্টফোনের মতো ডিভাইস চার্জে দেয়ার সময় কাভার খুলে রাখা নিরাপদ। এর ফলে চার্জে থাকা অবস্থায় ডিভাইসের ব্যাটারি উত্তপ্ত হবে না এবং বিস্ফোরিত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।
ফোনের স্টোরেজ বাড়াবেন যেভাবে
ইন্টারনেট আর স্টোরেজ ছাড়া স্মার্টফোন যেন বাজারের সাধারণ কোনো একটি ফোন। কিন্তু স্মার্টফানে ধীরে ধীরে যখন স্টোরেজ ফুল হয়ে আসে তখন কোন কিছু সেভ করতে গেলে অনেক সমস্যা হয়। ফলে নতুন কিছু ডাউনলোড কিংবা স্টোরে জমা রাখতে গেলে আগের কিছু ডিলিট করতে হয়। এন্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ সমস্যায় ভোগেন অনেক ইউজার। তবে একটু সতর্ক হলে এই সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যেতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমন কিছু উপায়।
অপ্রয়োজনীয় ডাউনলোড ফাইল ডিলিট
বহু অপ্রয়োজনীয় ফাইল যেগুলো আগে প্রয়োজন ছিল কিন্তু এখন নেই। এমন ডাউনলোড করা অনেক ফাইল আমরা ডিলিট করতে ভুলে যাই। এর ফলে ওই ফাইলগুলো জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোড ফোল্ডারে যান। পুরনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সিলেক্ট করে দিন ডিলিট করে দিন।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে আমাদের সবার ফোনেই কম বেশি এমন অনেক অ্যাপ আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে, যা আদৌ আমাদের প্রয়োজন হয় না বা প্রয়োজন হলেও তার খুব বেশি ব্যবহার করা হয় না। বিশেষ করে নতুন ফোন কেনার সময় এমন অনেক অ্যাপ ইনস্টল করা থাকে যা একজন সাধারণ ব্যবহারকারী কখনও ব্যবহারই করেন না। ফোনেও যদি এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত অ্যাপ থাকে তাহলে এখনই উচিৎ সেগুলিকে আনইনস্টল করে ফেলা। যদিওবা পরবর্তীতে কখনও সেগুলির প্রয়োজন হয় তাহলে অ্যাপগুলো আবার ডাউনলোড করে নেওয়া সম্ভব।
লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলোর কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। যা আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজে কম জায়গা নেবে।
এসডি কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল
সবসময় স্মার্টফোনের ওএস-এর ওপর চাপ কমাতে কিছু অ্যাপ মাইক্রো এসডি কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজ করবে।
গুগল ফটোস
সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছা ফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।
ক্যাশ ও ডেটা ক্লিয়ার
ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলো সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশ ডিলিট করুন। এতে পুরনো অ্যাপ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক জিবি বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।
ইনস্টলকৃত অ্যাপ কার্ডে মুভ করুন
এ বিষয়টি হয়তো কারো অজানা নয় যে আমরা যখন প্রাথমিকভাবে প্লে স্টোর থেকে কোন অ্যাপ ডাউনলোড করি, তখন সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইনস্টল হয় এবং সেখানেই অ্যাপটি রান করার জন্য যত প্রয়োজনীয় ফাইল রয়েছে সেগুলি জমা হতে থাকে। যার ফলে ফোনের মেমোরী পূর্ণ হতে থাকে। প্রাথমিকভাবে যদিও বা অ্যাপগুলি ইন্টারনাল মেমোরিতে স্পেস দখল করে থাকে কিন্তু পরবর্তীতে অবশ্যই আপনার সেটিকে এসডি কার্ডে মুভ করে নিতে হবে। তা হলে ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে চাপ কমবে।
ল্যাপটপ কেনার আগে
কোরবানির ঈদেও টুকটাক অনেক কিছুই কেনা হয়। এরমধ্যে থাকে গ্যাজেটও। যারা ল্যাপটপ কিনতে চান তারা প্রয়োজন ও ভিন্নতা অনুযায়ী কেমন ডিভাইস কিনবেন সেটির ধারণা পাবেন এ প্রতিবেদন থেকে।
বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন ল্যাপটপ ব্যবহার করে। ফলে তার প্রয়োজন অনুযায়ী হতে হবে ল্যাপটপ। কাজের ধরণ, কাজের মানসহ নানান বিষয় প্রাধান্য পাবে এতে।
বাজারে নানা ব্রান্ডের হরেক রকম মডলের ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। বাজারেও বিভিন্ন কনফিগারেশনের হরেক মডেলের ল্যাপটপ পাওয়া যায়। এত মডেলের ভিড়ে কোনটি নিজের কাজের জন্য উপযুক্ত হবে সেটি বাছাই করতে হিমিসিম খেতে হয় ক্রেতাদের।
নিজের কাজের ধরন ও প্রয়োজন বুঝে ল্যাপটপ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে চলুন তা জেনে নেয়া যাক।
আকার ও ওজন
ল্যাপটপের কেনার আগে প্রথমেই এটির আকারের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। যারা ল্যাপটপ বাড়ি কিংবা অফিসেই ব্যবহার করেন তাদের জন্য আকার কিছুটা বড় সমস্যা না হলেও, যারা ল্যাপটপ সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যান তাদের জন্য কিছুটা ছোট আকারের, পাতলা গড়ন ও হালকা ওজনের ল্যাপটপ বাছাই করা উচিত।
প্রসেসর
কাজের ধরন বুঝে প্রসেসর নির্বাচন করতে হবে। কেননা ল্যাপটপের গতি নির্ধারণে প্রসেসরের ভূমিকাই সবচাইতে বেশি। আর প্রসেসর নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাজারে আসা সর্বশেষ ৮ম কিংবা ৯ম প্রজন্মের মডেলগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে। হালকা কাজের জন্য কোর আই ৩ কিংবা এমডি, মাঝারি কাজে কোর আই ৫ আর ভারি কাজের জন্য কোর আই ৭ মডেলের প্রসেসর বিবেচনা করা যেতে পারে।
র্যাম
ল্যাপটপের গতি নির্ধারণে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর র্যাম। হালকা মানের কাজের জন্য ৪ থেকে ৮ গিগাবাইট র্যাম যথেষ্ট হলেও যারা ল্যাপটপ দিয়ে গেইমিং কিংবা ভারি মানের ব্যক্তিগত বা পেশাগত কাজ করেন তাদের জন্য অধিক র্যামের ল্যাপটপ বাছাই করাটা বাঞ্ছনীয়। বাজারে বর্তমানে ১৬ কিংবা ৩২ গিগাবাইট র্যাম সম্বলিত ল্যাপটপ পাওয়া যায়। এই ল্যাপটগুলো পছন্দের তালিকায় রাখা যেতে পারে।
স্টোরেজ
নিজের প্রয়োজন বুঝে স্টোরেজ বেছে নিতে হবে। হার্ডডিস্ক স্টোরেজের পাশাপাশি এসএসডি থাকাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এসএসডি থাকলে ল্যাপটপের গতি স্বাভাবিকের চাইতে বাড়িয়ে নেয়া যাবে।
ডিসপ্লে ওগ্রাফিক্স
সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ডিসপ্লের ধরন খুব জরুরী বিষয় না হলেও যারা ল্যাপটপে মুভি দেখেন, হাই গ্রাফিক্স গেইম খেলেন কিংবা গ্রাফিক্সের নানা কাজ করেন তাদের জন্য ভালো রেজুলেশনের ডিসপ্লে বাছাই করতে হবে। সাথে ডিসপ্লের ধরন সম্পর্কেও জেনে নিতে হবে।
বাজারে বর্তমানে টাচ সুবিধাসহ কিছু ল্যাপটপ মিলবে। সেগুলো নেয়া যেতে পারে প্রয়োজন বিশেষে।
গেইমার কিংবা অন্য ব্যবহারকারী যারা ডিসপ্লের ভালো পারফরমেন্স চান, তাদের ডেডেকেটেড গ্রাফিক্স সুবিধাসম্বলিত ল্যাপটপ নির্বাচন করতে হবে।
কীবোর্ড ও টাচপ্যাড
ল্যাপটপের টাচপ্যাড ভালো মানের না হলে ব্যবহার করতে বেশ বেগ পেতে হয়। তাই ল্যাপটপ কেনার আগে টাচপ্যাডের মান যাচাই করে নিতে হবে।
এছাড়া যারা ল্যাপটপে বেশি টাইপ করেন তাদের জন্য ভালো মানের কীবোর্ড সম্বলিত ল্যাপটপ নির্বাচন করতে হবে। কীবোর্ডে ব্যাকলিট থাকলে তা অন্ধকারেও কাজ করাকে সহজ করবে।
ব্যাটারি
ল্যাপটপের ব্যাটারির সক্ষমতা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা দিক। যারা দীর্ঘ সময় বাইরে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য বেশি ব্যাটারি সক্ষমতার ল্যাপটপ উপযুক্ত। বাজারে কিছু ল্যাপটপ আছে যেগুলো সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় একবার ফুল চার্জ করেই।
ইউএসবি পোর্ট ও অন্যান্য
ল্যাপটপে পেনড্রাইভ কিংবা অন্যান্য যন্ত্রাংশ বা গ্যাজেট সংযোগের জন্য ইউএসবি পোর্ট ব্যবহারের দরকার পড়ে। ডেটা ট্রান্সফারে ভালো গতি পেতে তাই ইউএসবি ৩.০ পোর্টেসম্বলিত ল্যাপটপ নেয়া উচিত। এছাড়া হালের ক্রেজ ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট ও বিবেচনা করা যেতে পারে।
এগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য কিছু ফিচার যেমন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সুবিধা, ভালো মানের ওয়েবক্যাম কিংবা এইচডিএমআই বা ভিজিএ পোর্ট ও দেখে নিতে হবে ল্যাপটপ কেনার আগে।
বিক্রোত্তর সেবা
দেশের বাজারে ব্র্যান্ড ও মডেল ভেদে ১-৩ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা পাওয়া যাবে ল্যাপটপে। ব্র্যান্ড কিংবা মডেল ভেদে কিছুটা ভিন্নতাও থাকতে পারে। তাই কেনার আগে বিক্রয়োত্তর সেবার বিস্তারিত নীতিমালা জেনে ও বুঝে নিতে হবে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি পাল্টাতে হবে কিনা বোঝার উপায়
স্মার্টফোনের দৈনন্দিন ব্যবহারের পেছনে এর ব্যাটারির সক্ষমতা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট জীবনকাল থাকে। এরপর ব্যাটারির সক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কিংবা অন্য কোনো সমস্যায় স্মার্টফোনের ব্যাটারির পারফরমেন্স হ্রাস পেতে পারে। তখন ব্যাটারি পরিবর্তন করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে।
চলুন জেনে নেয়া যাক কী কী লক্ষণ দেখলে ফোনের ব্যাটারিটি পরিবর্তন করতে হবে।
ব্যাটারি ফুলে যাওয়া
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কিংবা নিয়ম মেনে চার্জ না দিলে অল্প দিনেই স্মার্টফোনের ব্যাটারি ফুলে যেতে পারে। এমন হলে দ্রুত ব্যাটারি পরিবর্তন করে ফেলতে হবে।
নন-রিমুভেবল স্মার্টফোনের ব্যাটারি ফোলা শুরু করলে দ্রুত সার্ভিস সেন্টার থেকে সেটি পরিবর্তন করে নিতে হবে। দেরি হলে ব্যাটারি আরও বেশি ফুলে গিয়ে ডিসপ্লে ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
আর রিমুভেবল ব্যাটারির ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী নিজেই ব্যাটারি পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।
অস্বাভাবিক চার্জিং
অনেক সময় স্মার্টফোন চার্জের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক গতি পাওয়া যায়। যেমন অনেক সময় মুহূর্তের মধ্যেই ১০ শতাংশ থেকে চার্জ বেড়ে ৫০ শতাংশ হয়ে যায়। আবার চার্জার খুলে ফেলার কিছুক্ষণের মধ্যেই চার্জ শূন্য হয়ে যাবার মতো ঘটনা ঘটে।
ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই এক্ষেত্রে ব্যাটারি পরিবর্তন করে নিতে হবে।
চার্জে ধীর গতি
অনেক সময় চার্জার, চার্জিং ক্যাবল ও পোর্ট ইত্যাদি ঠিক থাকা সত্ত্বেও ফোন পুরোপুরি চার্জ হতে স্বাভাবিকের চেয়ে সময় বেশি লাগে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাটারি পরিবর্তন করে সমস্যার সমাধান করা যায়।
দ্রুত চার্জ কমে যাওয়া
স্বাভাবিকের চেয়ে অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতিতে চার্জ কমে যাওয়া কিংবা আগের চাইতে ব্যাকআপ অনেক কমে গেলে ব্যাটারি পরিবর্তন করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাটারির ত্রুটির কারণে দ্রুত চার্জ কমার সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হওয়া শুরু করে।
ব্যাটারি পরিবর্তন করবেন যেভাবে
উপরের উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি পাল্টাতে হবে। যে সব স্মার্টফোনের ব্যাটারি ‘ইউজার নন-রিমুভেবল’ সেগুলোর ক্ষেত্রে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে ব্যাটারি পরিবর্তন করিয়ে নিতে হবে।
আর যেসব স্মার্টফোনের ব্যাটারি খোলা যায়, সেগুলোর ব্যাটারি নিজেই পরিবর্তন করা যাবে। তবে ব্যাটারি কেনার ক্ষেত্রে অরিজিনাল কিংবা একই সক্ষমতার ভাল মানের ব্যাটারি কিনতে হবে।
স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হলে যা করবেন
: অধিকাংশ ব্যবহারকারীই স্মার্টফোন গরম হয়ে যাওয়ায় সমস্যার সম্মুখীন হন।
নানা কারণে স্মার্টফোন গরম হয়ে যায়। মাল্টিটাস্কিং কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে হাই রেজুলেশনের গেইম খেললে সব স্মার্টফোন গরম হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এসব ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ ব্যবহার বন্ধ রাখলেই ফোন আবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসে।
তবে অনেক ক্ষেত্রে হালকা কাজ করার সময়ও স্মার্টফোন গরম হয়ে যায়। আবার অনেক সময় এই গরম হয়ে যাওয়ার মাত্রা এতটাই বেশি থাকে যে স্মার্টফোনটি ধরা মাত্র হাতে তীব্র গরম অনুভূত হয়।
চাইলে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কীভাবে এই কাজ করবেন তার আদ্যোপান্ত থাকছে এই প্রতিবেদনে।
ম্যালওয়্যারের আক্রমণ দায়ী
স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার পেছনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ম্যালওয়্যারের আক্রমণ দায়ী। গুগল প্লে কিংবা অ্যাপস্টোর ব্যতীত অন্য কোনো সোর্স থেকে অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করা কিংবা শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে অ্যাপ নেয়ার কারণে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ হয়ে থাকে।
আগে থেকেই কিছু নিয়ম মানলে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে বাঁচা যায় কিংবা আক্রান্ত হলে তা থেকে মুক্ত হওয়া যায়। এটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাবে টেকশহরডটমের এই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুনঃ অ্যান্ড্রয়েডে ম্যালওয়্যার থেকে বাঁচার উপায়
থার্ড পার্টি অ্যাপের ক্ষেত্রে সর্তকতা
স্মার্টফোনে দিয়ে নানা ধরনের কাজ সারতে আমরা হরেক রকম অ্যাপ ব্যবহার করি। কিন্তু এমন কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে যেগুলো অতিরিক্ত মাত্রায় বিজ্ঞাপন দেখায় কিংবা সবসময়ই ব্রাকগ্রাউন্ডে চালু অবস্থায় থাকে। এর ফলে স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও গরম হয়ে যায়।
এই ঝামেলা এড়াতে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার আগে প্লেস্টোর থেকে সেটির রেটিং ও ব্যবহারকারীদের রিভিউ জেনে নিতে হবে। আর এই ধরনের কোনো অ্যাপ ইন্সটল করে ফেললে তা দ্রুত রিমুভ করে ফেলতে হবে।
এছাড়া, স্মার্টফোনে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ না রাখাই ভালো। এজন্য যেসব অ্যাপ সচরাচর কাজে লাগে না সেগুলো আনইন্সটল করতে হবে।
ভাল মানের চার্জার ব্যবহার
স্মার্টফোন ভেদে চার্জিং সক্ষমতার পার্থক্য থাকে। বর্তমানে স্মার্টফোন নির্মাতারা মডেল ভেদে সাধারণত ১ থেকে ৩ অ্যাম্পিয়ার চার্জিং সক্ষতার চার্জার প্রদান করেন স্মার্টফোনের সঙ্গে। তাই স্মার্টফোন চার্জ দেয়ার ক্ষেত্রে অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করতে হবে। কোনভাবেই এক স্মার্টফোনের চার্জার অন্য মডেলের স্মার্টফোনে ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কোন কারণে অরিজিনাল চার্জার অকেজো হয়ে গেলে কিংবা হারিয়ে গেলো, আগের চার্জারের সমান সক্ষমতার চার্জার কিনে নিতে হবে। এক্ষেত্রে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে আসল চার্জার নেয়া যেতে পারে।
নিম্নমানের কিংবা অন্য সক্ষমতার চার্জার ব্যবহার করলেও ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।
চার্জে দিয়ে ফোন ব্যবহার না করা
স্মার্টফোনে চার্জে লাগানো অবস্থায় স্বাভাবিকের চাইতে কিছুটা বেশি গরম হতে পারে। চার্জে থাকা অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া, স্মার্টফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় তা বিছানা, সোফা ইত্যাদি নরম জায়গার উপর না রেখে টেবিল জাতীয় শক্ত কিছুর উপর রাখতে হবে।
লম্বা সময় ধরে একটানা গেইম না খেলা
একটানা অনেক সময় ধরে হাই রেজুলেশনের গেইম খেললে স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। এজন্য টানা গেইম না খেলে কিছুক্ষণ পরপর নির্দিষ্ট সময় বিরতি নেয়া যেতে পারে। যা স্মার্টফোনের ধীর হয়ে যাওয়া কিংবা অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়াকে ঠেকাবে।
অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলা
গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত রোদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে বাহ্যিক তাপের কারণে স্মার্টফোন হুট করে অনেক গরম হয়ে যায়। আবার এখনকার সময়ে অনেক ফোনেই মেটাল বডির ফ্রেম ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত রোদের কারণে সেগুলো আরও বেশি গরম হয়। তাই তীব্র রোদে স্মার্টফোন সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।
উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে অনেকাংশেই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে যদি এসব পদ্ধতি মানার পরও অতিরিক্ত গরম হবার সমস্যাটি থেকে যায় তাহলে ফোনটি একবার ফ্যাক্টরি ডেটা রিসেট করে দেখা যেতে পারে। এরপরেও যদি সমাধান না হয় কিংবা স্মার্টফোন গরম হওয়ার সঙ্গে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে তাহলে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে সারিয়ে নিতে হবে।
যেসব কারণে ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগে
অনেক সময় স্বাভাবিকের চেয়ে ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগে। কী কারণে ধীর গতিতে ফোন চার্জ হয় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।
ধীর গতিতে ফোন চার্জ হওয়ার কারণ ও সমস্যাটি সমাধানের কিছু উপায় তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।
চার্জিং ক্যাবল যাচাই
চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই চার্জিং ক্যাবল দায়ী। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ক্যাবলের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এছাড়া, চার্জিং ক্যাবলের অগ্রভাগ ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা মরিচা পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাই ত্রুটিপূর্ণ এমন ক্যাবলের কারণে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ফুল চার্জ হতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে। এসব ক্ষেত্রে ক্যাবলটি পরিবর্তন করে নিলেই ফোন আবার স্বাভাবিক গতিতে চার্জ হবে।
চার্জিং অ্যাডাপ্টর যাচাই
কিছু ক্ষেত্রে চার্জিং অ্যাডাপ্টরের সক্ষমতা কমে যায়। বর্তমান বাজার অনুযায়ী স্মার্টফোন নির্মাতারা স্মার্টফোনের সঙ্গে এক, দুই কিংবা তিন অ্যাম্পিয়ার সক্ষমতার চার্জার প্রদান করেন। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী এক অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ৭০০-৮৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে, দুই অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ১৫০০-১৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে ও তিন অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ২৫০০-২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে স্মার্টফোনের ব্যাটারিকে চার্জ করে থাকে।
স্মার্টফোনে চার্জিংয়ের হার কেমন তা একটি অ্যাপের দ্বারা যাচাই করে নেয়া যাবে। ‘অ্যাম্পিয়ার’ নামের এই অ্যাপ গুগল প্লের এই ঠিকানা হতে ইন্সটল করে নেয়া যাবে। চার্জিং স্লো অনুভূত হলে তাই এই অ্যাপ দ্বারা চার্জের হার জেনে নেয়া যেতে পারে। স্বাভাবিকের চেয়ে কম হারে চার্জ হলে চার্জারটি পরিবর্তন করে এই সমস্যার সমাধান করা যাবে।
ব্যাটারি পরিবর্তন
চার্জার কিংবা ক্যাবল ঠিক থাকলেও অনেক সময় ব্যাটারির সমস্যার কারণে চার্জ ধীর গতিতে হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া, স্মার্টফোন গরম হয়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক হারে চার্জের পরিমাণ বাড়া-কমা করার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাটারি পরিবর্তন করলে সমস্যার সমাধান হয়।
চার্জিং পোর্টে সমস্যা
অনেক সময় চার্জিং পোর্টে সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে চার্জার ঠিকভাবে সংযোগ না পাওয়ার কারণে চার্জিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ কারণে ফোন ধীর গতিতে চার্জ হলে, অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে চার্জিং পোর্ট সারিয়ে নিতে হবে।
চার্জে দেয়া অবস্থায় ফোন না ব্যবহার করা
অনেকেই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। এমনকি চার্জে দেয়া অবস্থায় হাই রেজুলেশনের গেইমও খেলেন। ফলে চার্জিং প্রক্রিয়া বিলম্ব হয়। কোন কোনো ক্ষেত্রে এতে ব্যাটারিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তাই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
পেনড্রাইভ আনবুট করার উপায়
পিসিতে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে অনেক সময় পেনড্রাইভকে বুটেবল করা হয়।
কিন্তু কাজ শেষে পেনড্রাইভকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় আনার প্রয়োজন পড়ে।
এই কাজ কিভাবে করা যায় চলুন তার বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। বুটেবল পেনড্রাইভ স্বাভাবিক করার বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। উইন্ডোজ কমান্ড প্রোমোটকে কাজে লাগিয়ে সহজেই এটি সেরে নেয়া যায়।
ধাপসমূহ
পেনড্রাইভটিকে প্রথমে পিসিতে সংযোগ করে নিতে হবে। এরপর কম্পিটারের মেনু থেকে ‘Command Prompt’ খুঁজে সেটির উপর ক্লিক করে ‘Run as Administrator’ নির্বাচন করে চালু করতে হবে। “Command Prompt’ সরাসরি খুঁজে না পেলে সার্চ অপশনে গিয়ে ‘cmd’ লিখে সার্চ করলে পাওয়া যাবে। এরপর একটি কালো উইন্ডো আসবে সেখানে নিচের কমান্ডগুলো ধাপে ধাপে অনুসরণ করে Enter বাটন চাপতে হবে।
diskpart
list disk (এই কমান্ড দেয়ার পর কম্পিউটারের থাকা বিভিন্ন ধরনের স্টোরেজ এর একটি তালিকা প্রদর্শিত হবে এবং প্রতিটির পাশে ০,১,২… নম্বর থাকবে। কাঙ্ক্ষিত পেনড্রাইভের নম্বরটি জেনে নিতে হবে)
select disk X (X এর স্থানে আগের ধাপে পাওয়া নম্বরটি সংখ্যায় বসাতে হবে)
clean
create partition primary
active
format fs=ntfs quick (পেনড্রাইভ পুরোনো প্রযুক্তির হলে ntfs এর স্থলে fat32 লিখতে হবে)
assign
exit
exit
সব কমান্ড সঠিকভাবে দেয়া হলে পেনড্রাইভের ভিতরে থাকা সকল তথ্য মুছে যাবে এবং আবার স্বাভবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে।
গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বন্ধের উপায়
ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেবা দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়ে অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেবা নিয়ে আসছে।
গুগলের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেবা ‘গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট’ যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু অনেকেই সেবাটি ব্যবহারে আগ্রহী নন। যারা ‘গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট’ ফিচারটি বন্ধ করতে চান তারা নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজটি করতে পারেন।
যেভাবে করবেন
ফোনে থাকা ‘গুগল’ অ্যাপটি চালু করতে হবে। এরপর অ্যাপের নিচের দিকে থাকা ‘More’ অপশন থেকে ‘Settings’ এ যেতে হবে।
‘Settings’ থেকে ‘Google Assistant’ নির্বাচন করলে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের জন্য নানা অপশন প্রদর্শিত হবে। উপরের দিকে ‘Assistant’ টি ট্যাপ করে নিচের দিকে গেলে ডিভাইসের এমন একটি তালিকা প্রদর্শিত হবে যেগুলোতে গুগল অ্যাকাউন্টটি লগ ইন অবস্থায় রয়েছে। সেই তালিকা থেকে কাঙ্ক্ষিত ডিভাইসের নাম খুঁজে বের করে তার উপর ট্যাপ করলে ‘Google Assistant’ বন্ধের অপশন পাওয়া যাবে। সেখান থেকে ঐ ডিভাইসের জন্য গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বন্ধ করে দেয়া যাবে। আবার চাইলে সব ডিভাইসের জন্য ফিচারটি বন্ধ করে দেয়া যাবে সেখানে থাকা সেটিংস চালু করে।